আজ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস

 আজ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস

আজ সোমবার (৯ আগস্ট) জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচি পালন করা হবে।

এ দিবস উপলক্ষে আজ প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় বঙ্গবন্ধুর অবদান: বর্তমান প্রেক্ষিত এবং ভবিষৎ পরিকল্পনা’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
আলোচক হিসেবে সংযুক্ত থাকবেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. সেলিম মাহমুদ, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বেগম রুখসানা নাজমা ইসহাক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বঙ্গবন্ধু বহুজাতিক কোম্পানি শেল ওয়েলের কাছ থেকে তিতাস, রশিদপুর, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ এবং কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র কিনে নেন। ওই সময়ে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে গ্যাসক্ষেত্রগুলো কিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০১০ সালের ১২ আগস্ট এক পরিপত্রে ৯ আগস্টকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিন সরকার জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
এ উপলক্ষে গতকাল রবিবার ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’ ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধুর জ্বালানি কৌশল ও আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা’ শীর্ষক ওয়েবিনারের আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র ক্রয় করে বঙ্গবন্ধু জ্বালানি নিরাপত্তার যে ভিত্তি রচনা করেছিলেন, তা ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে। টেকসই জ্বালানিব্যবস্থা গড়ার নেপথ্যের কাজ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। চাহিদা মোতাবেক তেল-গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। আবাসিক ব্যবহারের জন্য এলপিজি সহজলভ্য করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *