কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

 কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মো. সোহেল ও তাঁর সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম (২৮) বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে কুমিল্লার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ–সংলগ্ন চানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শাহ আলমের বাড়ি নগরের সুজানগর বউবাজার এলাকায়। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সোহান সরকার প্রধান আসামি শাহ আলম নিহত হওয়ার বিষয়টি আমাদের বার্তাকে নিশ্চিত করেন।

শাহ আলমের নামে হত্যা, অস্ত্র–মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপসহ নানা অভিযোগে অন্তত ছয়টি মামলা আছে।

এর আগে গত সোমবার রাতে কুমিল্লার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ–সংলগ্ন সংরাইশ বালুমহাল এলাকায় একই মামলার আরও দুই আসামি মো. সাব্বির হোসেন (২৮) ও সাজন (৩২) পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। সাব্বির ছিলেন হত্যা মামলার ৩ নম্বর ও সাজন ৫ নম্বর আসামি। নিহত মো. সাব্বির হোসেনের বাড়ি নগরের সুজানগর পানির ট্যাংকি এলাকায়। তিনি ওই এলাকার রফিক মিয়ার ছেলে। সাজনের বাড়ি নগরের সংরাইশ রহিম ডাক্তারের গলির ভেতরে। তিনি ওই এলাকার কাঁকন মিয়া ওরফে চোরা কাঁকনের ছেলে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পিস্তল, গুলির খোসা ও কার্তুজের খোসা উদ্ধার করেছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, সোহেল হত্যা মামলার তিনজন আসামি এ পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। শাহ আলমের লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা, হত্যা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হবে।

গত ২২ নভেম্বর বিকেলে কুমিল্লা নগরের পাথুরিয়াপাড়া থ্রিস্টার এন্টারপ্রাইজ নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মো. সোহেল ও তাঁর সহযোগী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে মো. সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। গতকাল পর্যন্ত এজাহারে নাম থাকা পাঁচজন ও সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বন্দুকযুদ্ধে এজাহারে নাম থাকা তিন আসামি মারা গেলেন। আরও তিন আসামির মধ্যে ২ নম্বর আসামি সোহেল প্রকাশ, ১০ নম্বর আসামি সায়মন ও ১১ নম্বর আসামি রনি পলাতক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *