খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিফর্ম বানাতে দর্জি পাড়ায় ভিড়

 খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিফর্ম বানাতে দর্জি পাড়ায় ভিড়

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই নতুন ইউনিফর্ম বানানোর হিড়িক পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার দর্জি পাড়ায়। ব্যস্ততা ফিরেছে দর্জির দোকানগুলোতে।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দর্জির দোকানগুলোয় সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্ম বানাতে বাবা-মায়ের সঙ্গে দোকানে আসছেন।
নেকমরদ সরকারি আলিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র তাসনিমুল হাসান বলে, ‘আমার ড্রেস ছোট হয়ে গেছে। এখন হঠাৎ করে স্কুল খুলে দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে নতুন ড্রেস বানাতে আসছি।’
রেমন্ড টেইলার্সের মালিক নারায়ণ রায় বলেন, ‘১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল কলেজ খোলার ঘষোণার পর থেকেই ইউনিফর্মের অর্ডার আসতে শুরু হয়। তাই আমাদের ব্যস্ততা বেড়েছে।
পৌরসভার সাগর বস্ত্রালয়ে গিয়ে দেখা যায় অভিভাবকেরা স্কুল ড্রেসের কাপড় কিনছেন। সেখানে অভিভাবক উন্মে হাবিবা বলেন, ‘আমার মেয়ে রাণীশংকৈল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণিতে পড়ে। দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ থাকার কারণে ওর ড্রেস ছোট হয়ে গেছে। তাই মেয়ের জন্য নতুন করে স্কূল ড্রেসের কাপড় কিনতে এসেছি।
বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ৩য় শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির ছেলেদের স্কুল ড্রেস (প্যান্ট ও শার্ট) বানানোর মজুরি রাখা হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। ৩য় শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির মেয়েদের স্কুল ড্রেস (থ্রি পিস) বানানোর মজুরি রাখা হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০টাকা।
এদিকে স্কুল-কলেজ খোলার কারণে উপজেলার দর্জিরা ড্রেসের সঙ্গে রং মিলিয়ে সুতা, বোতাম কেনাও শুরু করেছেন। এতে সুতা, বোতাম ও লেজ ফিতার বিক্রিও বেড়েছে।
রাণীশংকৈল কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু শাহান শাহ ইকবাল বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল খোলার সকল প্রস্তুতি আমাদের সম্পন্ন হয়েছে। অনেক ছাত্র-ছাত্রীদের ইউনিফর্ম ছোট হয়ে গেছে। তাদের ইউনিফর্ম তৈরি করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *