চট্টগ্রাম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

 চট্টগ্রাম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

পাকিস্তানের কাছে হার দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করলো বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনেই জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল পাকিস্তান। শেষ দিনে সকালের সেশনে ২ উইকেট হারিয়েই প্রথম টেস্ট জিতে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন পর্ব শুরু করলো পাকিস্তান। বাংলাদেশ হারে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেল মুমিনুলের দল।

জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২০২ রান। টাইগারদের নির্বিষ বোলিং পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিতে কোনো চিড় ধরাতে পারেনি। চতুর্থ দিন দেড় সেশন ব্যাটিং করে ১০৯ রান তুলে ফেলে সফরকারীরা। অতিমানবীয় কিছু না হলে এই ম্যাচে হার এড়ানোর উপায় ছিল না বাংলাদেশের। জয় থেকে ৯৩ রান দূরে থেকে আবিদ-শফিক মিলে শুরু করেন পঞ্চম দিনের খেলা। দুজনের ১৫১ রানের জুটিতে সহজ জয়ের দিকেই এগোতে থাকে পাকিস্তান। দুজনই ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন।

একটা সময় মনে হচ্ছিল পাকিস্তান বুঝি ১০ উইকেট হাতে রেখেই জিতে যাবে। তবে জয় থেকে ৫১ রান দূরে থেকে শফিককে হারায় পাকিস্তান। মিরাজের ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউ হলে ব্যাক্তিগত ৭৩ রানে রিভিউ নেন শফিক। আম্পায়ারস কলে ফিরতেই হয়েছে তাকে।

শফিক আউট হওয়ার পর সাজঘরে ফেরেন আবিদ আলীও। শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দে ব্যাট করে আরেকটি সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছিলেন পাক এই ওপেনার। কিন্তু সেঞ্চুরির স্বাদ থেকে আবিদকে বঞ্চিত করেন তাইজুল। চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ৯ রান দূরে ছিলেন। এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে রিভিও নিয়েও বাঁচতে পারলেন না আবিদ। একটুর জন্য দুই ইনিংসে শতকের দারুণ এক রেকর্ড হাতছাড়া হলো তার। ​১৪৮ বল খেলা আবিদের ইনিংসে ছিল ১২টি চার।

এরপর আজহার আলী এবং বাবর আজম মিলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন। ২৪ রানে আজহার এবং ১৩ রানে বাবর অপরাজিত থাকেন।

এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৩৩০ রানের জবাবে পাকিস্তান ২৮৬ রান করতে পেরেছিল। তবে লিড নিয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে ধস নামে টাইগার শিবিরে। করতে পারে মাত্র ১৫৭ রান।

দুই ইনিংসে দারুণ ব্যাট করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন পাকিস্তান ওপেনার আবিদ আলী। আগামী ৪ ডিসেম্বর মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট মাঠে গড়াবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *