প্রমাণহীন বলছে সরকার, ভুল দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের

 প্রমাণহীন বলছে সরকার, ভুল দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এবং এর বর্তমান ও সাবেক সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেটিকে ভুল বলে মনে করছে সরকার। কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ‘তথ্যভিত্তিক নয়’, বরং ‘যাচাইহীন ও প্রমাণহীন’। তা ছাড়া আলোচনার পর্যায়ে থাকা বিষয় নিয়ে দেশটি কোনো ‘আভাস’ ছাড়াই ‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই সঙ্গে সরকার বলছে, সন্ত্রাস দমনে ‘সামনের সারিতে’ থাকা একটি সংস্থাকে দোষ দিয়ে ‘খাটো’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। র‌্যাবের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা আগেই বহুবার যুক্তরাষ্ট্রের সরকারসহ বিভিন্ন মানবাধিকারবিষয়ক ফোরামে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সত্য নয়। র‌্যাব মানবাধিকার লুণ্ঠন করে না, মানবাধিকার রক্ষা করে।
শুক্রবার গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় র‌্যাবকে দায়ী করে সংস্থাটির সাবেক মহাপরিচালক, বর্তমান পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদসহ সাতজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনায় দেশে-বিদেশে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকারের তরফ থেকেও প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে। গতকাল শনিবার সরকারি ছুটির দিনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে তলব করা হয়। গত কয়েক বছরের মধ্যে কোনো বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলবের নজির এই প্রথম।
এ ছাড়া পররাষ্ট্র-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রী এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্নেষকদের কারও কারও অভিমত, এ নিষেধাজ্ঞার পেছনে ভূরাজনৈতিক কারণ রয়েছে। আবার কারও ভাষ্য, বিভিন্ন সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগের বিষয়টি আমলে না নেওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে ‘বন্দুকযুদ্ধ’।
নিষেধাজ্ঞার ফল কী হতে পারে, তা নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুনভাবে আর কেউ একই ধরনের নিষেধাজ্ঞায় পড়বে কিনা তৈরি হয়েছে সেই আশঙ্কা। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকার বাংলাদেশকে লজ্জার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এই খবর চমক নয়। এটা অবশ্যম্ভাবীই ছিল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার প্রধানকে যুক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের ‘নতুন একটা ঢং’। র‌্যাব এবং এর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দুঃখজনক। যে কোনো অভিযোগ তথ্যভিত্তিক হওয়া উচিত। ১০ বছরে ৬০০ লোক মারা গেছেন তা ঢালাওভাবে বলা ঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ, যেখানে পরিপকস্ফ গণতন্ত্র রয়েছে, তাদের কাছ থেকে এমন ঢালাও অভিযোগ কাম্য নয়। কারণ, তাদের দেশে প্রতিবছর ছয় লাখ লোক নিখোঁজ হন।
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রেই মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়। অন্যদের ওপর তাদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা একপেশে এবং অকার্যকর।
নিরাপত্তা বিশ্নেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ আমাদের বার্তাকে বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্যই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো যায় না।’
তিনি বলেন, র‌্যাব বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত ও নিয়মিত বাহিনী। এই বাহিনী জঙ্গি দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং চাঞ্চল্যকর অপরাধ দমনে সাফল্য দেখিয়েছে। তবে দু-একটি ক্ষেত্রে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে, কিছু নিরপরাধ মানুষ ভুলের শিকার হতে পারেন, যেমন অতি সম্প্রতি ভারতের নাগাল্যান্ডে ভারতের আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনীর ভুল করে সাধারণ নাগরিকের ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষেত্রে এ ধরনের ভুলের ঘটনা খুবই কম। ফলে এই নিষেধাজ্ঞার ঘটনাটি গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয় না।
আব্দুর রশীদ মনে করেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা কিছুটা হতাশ, হতোদ্যম হয়ে পড়তে পারেন। তারা এক ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে থাকবেন। কিন্তু কোনোভাবেই হতাশ হওয়া চলবে না, তাদের স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরও বেশি যত্নবান থাকতে হবে, যেন নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও কূটনৈতিক বিশ্নেষক আলী রীয়াজ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেছেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়বে এবং র‌্যাব যেসব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান হিসেবে সহায়তা পাচ্ছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা তা বাতিল করতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা এতদিন ধরে বলছি যে, মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে। আমরা বলছি যে, এই সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে, পুলিশকে ব্যবহার করছে, প্রশাসনকে ব্যবহার করে মানুষকে হত্যা করছে নির্মমভাবে। এটা প্রমাণিত হয়েছে আজকে।’
পরবর্তী প্রতিক্রিয়া :যে সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ থাকলে তা বাজেয়াপ্ত করতে পারে দেশটি। আবার তাদের কারও সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করলে সেখান থেকে ফেরত পাঠাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ কানাডা ও যুক্তরাজ্যও চাইলে একই পদক্ষেপ নিতে পারে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে র?্যাব বিদেশে যেসব কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত, তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গত বছর অক্টোবর মাসে ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পের কাছে সিনেটের আট সদস্য চিঠি দিয়ে র?্যাবের বিরুদ্ধে কিছু সুস্পষ্ট অভিযোগ করেছিলেন। তারই ভিত্তিতে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে আমরা ধরে নিতে পারি।
র‌্যাবের সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে সিনেটরদের সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, ‘মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’র অভিযানকে ‘বিচারবহির্ভূত’ হত্যাকা ঘটানোর ইচ্ছাকৃত পদ্ধতি বলে মনে হয়। মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়টি মাথায় রেখে এ থেকে সরে আসার পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানালেও র?্যাব তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে।
রাষ্ট্রদূতকে তলব :রাষ্ট্রদূত মিলারকে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন কর্তৃক তলবের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য যেসব বিষয়কে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, সেগুলো নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক সংলাপে ফ্রেমওয়ার্কসহ বিভিন্নভাবে দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এর পরও কোনো ধরনের আভাস দেওয়া ছাড়াই এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি সংস্থাকে খাটো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেটি সন্ত্রাস, মাদক চোরাচালান এবং অন্যান্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে সামনের সারিতে রয়েছে। র‌্যাবের বিরুদ্ধে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো বিচার প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিসহ বিভিন্ন বিষয় এর আগে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাখ্যা কেবল যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে নয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন ফোরামেও বহুবার দেওয়া হয়েছে।
মাসুদ বিন মোমেন আরও বলেন, যেসব ঘটনা উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো তথ্যভিত্তিক হওয়ার পরিবর্তে যাচাইহীন ও প্রমাণহীন মনে হচ্ছে।
যেসব দেশের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাদের কাতারে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদেরও রাখায় হতাশা প্রকাশ করে পররাষ্ট্র সচিব। তিনি বলেন, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ এলে তার প্রতিকারের জন্য নির্দিষ্ট আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে চলে বাংলাদেশের সব পোশাকি বাহিনী, র‌্যাবও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়।
পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে আলোচনার সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত এই অভিমতও দিয়েছেন যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার বিদ্যমান কাঠামো এবং উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের মধ্য দিয়ে চমৎকার ও বহুমাত্রিক এই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্নিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মার্কিন সরকারের ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকতে চাওয়ার সদিচ্ছার বিষয়টিও আর্ল মিলার উল্লেখ করেছেন।
ইচ্ছা করে গুলির নজির নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘আমাদের সিস্টেমে কেউ ইচ্ছা করে ক্রসফায়ার বা ইচ্ছা করে গুলি করতে পারে না। ক্রসফায়ারের পেছনে যথাযথ কারণ আছে। এসব ঘটনা শুধু বাংলাদেশে না, পৃথিবীর সব দেশে এগুলো চলছে এবং চালু আছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কী কারণে যুক্তরাষ্ট্র এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেই প্রতিবেদন আমার টেবিলে এখনও আসেনি। প্রতিবেদন পেলে আমরা আমাদের অবস্থান জানাব।
আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, ‘যতটুকু শুনেছি, এই নিষেধাজ্ঞা যে কারণে দিয়েছে, সেই কারণগুলোর যতগুলো ঘটনাই আমাদের দেশে ঘটেছে, সবক’টির একটা জুডিশিয়াল তদন্ত হয়। যেখানে কোনো গাফিলতি পাই, সেখানে কিন্তু তার বিরুদ্ধে মামলা চালু থাকে। আর গাফিলতি না থাকলে সেখানেই ক্লোজড হয়ে যায়।’
র‌্যাবের ভাষ্য : গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, র‌্যাব মানবাধিকার লুণ্ঠন করে না, মানবাধিকার রক্ষা করে। মানবাধিকার রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী র‌্যাবের লে. কর্নেল আজাদসহ ২৮ জন জীবন দিয়েছেন। মানবাধিকার রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে র‌্যাবের এক হাজারের অধিক সদস্যের অঙ্গহানি হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার জন্য দুই হাজারের বেশি সদস্য বিভিন্নভাবে আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বে এমন কোনো ফোর্স নেই, দেশের আইনশৃঙ্খলা-মানবাধিকার রক্ষার্থে এভাবে আত্মত্যাগ করেছে কিনা, আমার সন্দেহ রয়েছে।’
কমান্ডার মঈন জানান, র‌্যাবের উদ্যোগে সুন্দরবন জলদসুমুক্ত হয়েছে। ৩৬টি বাহিনীর ৩২৬ জন আত্মসমর্পণ করেছেন। জঙ্গিবাদ দমনেও র‌্যাব কাজ করেছে। তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলদস্যুদের ঘর বানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গরু কিনে দেওয়া হয়েছে। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য যা যা দরকার, সব করেছে র‌্যাব। বিশ্বের খুব কম বাহিনীই এত মানবিকতা দেখিয়েছে। র‌্যাবেই প্রথম ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে, যেন কোনো মাদকাসক্ত এই বাহিনীতে ঢুকতে না পারেন। করোনার সময় যখন ছেলে বাবাকে কিংবা বাবা ছেলেকে ফেলে গেছেন র‌্যাব হেলিকপ্টারে তাদের হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।
মঈন বলেন, ‘বিভিন্ন সময় গুলিবিনিময় বা ক্রসফায়ার নিয়ে অভিযোগ ওঠে। আত্মরক্ষার অধিকার আইন দিয়েছে। প্রতিটি গুলিবর্ষণের ঘটনার নির্বাহী তদন্ত হয়। যদি কেউ ভুল করে থাকেন, তাহলে র‌্যাব কঠোর ব্যবস্থা নেয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *