মুহিবুল্লাহ হত্যার ‘কিলিং স্কোয়াড’ এর সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি ১৪ এপিবিএন’র

 মুহিবুল্লাহ হত্যার ‘কিলিং স্কোয়াড’ এর সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি ১৪ এপিবিএন’র

রোহিঙ্গা নেতা ও আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) এর চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যার ‘কিলিং স্কোয়াড’ এর এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ১৪ এপিবিএন।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক বিষয়টি উল্লেখ করে এক খুদে বার্তায় বলেছেন, এ বিষয়ে ব্রিফিংয়ে দুপুরে বিস্তারিত জানানো হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৪ এপিবিএন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিফিংয়ে সকলকে যেতে অনুরোধ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর রাত ৯টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট-ওয়েস্ট (ডি ব্লকে) নিজ অফিসে অবস্থান করছিলেন মুহিবুল্লাহ। এসময় বন্দুকধারীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ ১৫-২০ জন অজ্ঞাতকে আসামী করে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মাঝে একজন স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মুহিবুল্লার মূল উত্থান হয় ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা আগমনের বর্ষপূর্তিতে। ওই দিন তিনি লাখো রোহিঙ্গার সমাবেশ ঘটিয়ে আলোচনার তুঙ্গে আনেন নিজেকে। সেদিন তার নেতৃত্বে কয়েক লাখ রোহিঙ্গার মহাসমাবেশ হয়।

এরপর তিনি উখিয়া-টেকনাফের আশ্রয় শিবিরের অন্যতম নেতায় রূপ নেয়। রোহিঙ্গাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগে দক্ষ মুহিবুল্লাহ ধীরে ধীরে প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন সবার। তিনি প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তা সাধারণ রোহিঙ্গাদের মনে জাগাতে সক্ষম হন। এ কারণেই প্রত্যাবাসন বিরোধীরা তাকে হত্যা করেছে বলে সবসময় আলোচনায় আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *