মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মাথা ফাটালেন তারা

 মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মাথা ফাটালেন তারা

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে চরমোনাই পীর মনোনীত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ওমর ফারুকের ওপর হামলা ও তার মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় ইউনিয়নের ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে তার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

আহত প্রার্থী ওমর ফারুকে বাড়ি গেদদার বাজার এলাকাতেই। সেখানে তাদের নির্বাচনী ক্যাম্পও ছিল। এই হাতপাখার প্রার্থীর সমর্থকদের অভিযোগ, ‘ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এই হামলায় অংশ নেন। হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়ে হামলা করে। তারা গেদ্দারবাজার এলাকায় হাতপাখার নির্বাচনী ক্যাম্পটিও ভাঙচুর করেছেন।’ আহত প্রার্থী ওমর ফারুককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের নেতারা মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সাবেক সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, শুরু থেকেই তাদের প্রার্থীর ওপর চাপ ছিল। কর্মী-সমর্থকদের ওপর লাগাতার হুমকি আসছিল। এখন এ ধরনের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, তিনি লোকমুখে হামলার ঘটনার কথা শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

উল্লেখ্য, কাশীপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল। তিনি বর্তমান পরিষদেরও চেয়ারম্যান। গতবার তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারও তার প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী শেষ সময়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। সাইফুল্লাহ বাদলের বিপরীতে এখন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওমর ফারুক লড়বেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম সাইফউল্লাহ বাদল বলেন, ‘হামলার ঘটনা শুনে অবাক হয়েছি। এ ঘটনায় সঙ্গে আমার দলের কোনো কর্মী-সমর্থক জড়িত নন। আমি নিজে এ ঘটনার বিচার চাইছি।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘এমনটা হবার কথা না। যে কেউ তার প্রচারণা চালাতে পারেন। এটা সকলের গণতান্ত্রিক অধিকার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *